রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৩

আত্মহত্যা বনাম ধর্মীয় মূল্যবোধ

ইদানিং কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা খুব বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি জাতীয় দৈনিকের জরীপ অনুযায়ী গত ৭ মাসে শুধু চট্টগ্রামেই শতাধিক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। আর এর অধিকাংশই কিশোর-কিশোরী। কিন্তু কেন?
বিশেষজ্ঞদের মতে, পিতা-মাতার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত, প্রয়োজনীয় বিনোদনের অভাব, ভিনদেশি সংস্কৃতির অগ্রাসন, অস্থিরতা ও পারিবারিক শৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ায় কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। সমাজ বিজ্ঞানী ড. গাজী সালেহ উদ্দিন বলেন, পিতা-মাতার সান্নিধ্য লাভে ব্যর্থ হয়ে সৃষ্ট হতাশা ও একাকিত্বের কারণে কিশোর কিশোরীরা আত্মহত্যার দিকে ঝুঁকছে। এছাড়া ব্যর্থতাবোধ বৃদ্ধি, বিনোদনের অভাব, বিদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসন তো রয়েছেই।

শনিবার, ৮ জুন, ২০১৩

এই মাঠে কোন রাখাল গরু চড়ায় ! ! ! ----(১)

কোন ভূমিকা নয়। লেখালেখি জগত থেকেই শুরু করি। এইতো কিছু দিন আগেও এই বাংলা সাহিতে কোন কবি, সাহিত্যিকদের দাপট ছিল? কাদের পদচারনায় মুখর ছিল এই বাংলা সাহিত্য? ফররুখ আহমেদ, কায়কোবাদ, মীর মোশাররফ হোসেন, নজরুল, আহসান হাবীব প্রমুখ। তাদের পরিচয়, তাদের স্বকীয়তা কি? তারা কোন ধারার কবি সাহিত্যিক ছিলেন? তারা ছিলেন ইসলামিক ধারার কবি। তাদের কবিতায়, গল্পে, সাহিত্যে আমরা জেনেছি ইসলামিক ইতিহাস, ইসলামিক ঐতিহ্য, আরো কত কি? তাদের চলে যাওয়ার পর এই মাঠে কোন রাখাল গরু চড়ায়! আফসোস! তার পরবর্তী কবি সাহিত্যিক যারা হলেন তারা হল শামসুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, সৈয়দ শামসুল হক, আবুল হোসেন, আল মাহমুদ। তাদের কলম থেকে কি ছড়ায়। শুধুই দুর্গন্ধ। অনেকে হয়ত আল মাহমুদ বা আবুল হোসেনকে আলাদা করে দেখতে চাইবেন। তাহলে আল মাহমুদ এর কবিতা থেকে একটি লাইন এখানে চয়ন করা হয়, " তোমার বীজ ধারন করে আমি হব ফলবতী বৃক্ষ" । কিংবা আবুল হোসেন এর কবিতা, " তুমি শাড়ি পড়, শাড়ি সাথে ম্যাচ করে ব্লাউজ পড়"। ইত্যাদি ইত্যাদি। কিভাবে আপনারা আল মাহমুদ কিংবা অন্য কাউকে এই ভাবধারা আনতে চাইছেন। তাহলে অব্শ্যই বলতে হবে আপনারাও এই একই ভাবধারার সাহিত্যিক। আর এই জন্যই এই মাঠে এখন গরু চড়ায় যত্তসব নষ্ট মেজাজের রাখাল। আপনারা যারা আলেম হয়েছেন, যারা লেখা করেন তারা শুধুই নামের জন্য লিখেন। আজব লাগে একটা লেখা লিখতে পারলে ফেসবুকে কয়বার যে ষ্টাটাস দেয় হিসাব নাই। আর আপনাদের এই লৌকিক লেখার জন্য বর্তমান প্রজন্ম সাহিত্য বলতে বুঝে কতগুলো নষ্ট পচা কিছু কালো লেখা। কেন এই মাঠে ছেড়ে দিলেন? আমি আবারও বলছি দুটো পয়সা, দু একবার নাম ছাপনো যদি আপনাদের লক্ষ হয় তবে এই পরিচয়ে কেন (আপনি আলেম, বা ইসলামিক ব্যক্তিত্ব)? এই পোষাকে খুলে ফেলে তাদের ঐ পোষাক পড়ে নিলেই তাদের মতই তো পয়সা কামানো যায়। মাঝখানে থেকে আমাদেরকে বোকা বানানোর প্রয়োজন কি। 
ধিক্কার শতবার। আমাদেরতো ধার করা ঐতিহ্যে দরকার নেই। বিলীন হবারও প্রয়োজন নেই। তবে কেন?

বৃহস্পতিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০১৩

এমন ইমাম এর অভাবে বাংলার মসজিদ গুলা অনুর্বর !


"এ ভারতকে আমরা মুসলমানরা সাজিয়েছি সাড়ে ৮০০বছর ধরে। এ ভারতের কুতুব মিনার, তাজমহল,শিষমহল যা কিছু সুন্দর আমরাই বানিয়েছি। সেই মুসলমানদের কলিজা কোরআন ব্যান করার মত রায় যদি ভারতের কোন বিচারক দেয় আমি শুধু দিল্লি জুমা মসজিদের ইমাম নই আমি ভারতবর্ষের ২০কোটি মুসলমানের ইমাম বলছি, সে বিচারককে আমি পায়ের নিচে পাড়ায় ধরে বামহাত দিয়ে তার জিহবাটা টেনে ছিড়ে ফেলে দিব।"-- ভারতের দিল্লী শাহী মসজিদের ইমাম আব্দুল্লাহ বুখারি !

কলকাতার হাইকোর্টে কোরআন ব্যান করে দেওয়ার জন্য মামলা হওয়ার পরে তিনি এই সাহসী উক্তি করেছেন।

শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১২

মিসেস অ্যাসিলিমির ইসলাম গ্রহন

বিচারক বললেন- দুই সন্তান অথবা ইসলাম যে কোনো একটিকে বেছে নিন,তার জন্যে এটা ছিল বেশ কস্টকরঃ-

বিচারক তাকে তার দুই সন্তান ও ইসলামের মধ্যে যে কোনো একটিকে বেছে নিত বললে মহাদ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়েন মিসেস অ্যাসিলিমি। একজন মমতাময়ী মায়ের জন্য সন্তানের দাবী ত্যাগ করা তো দূরের কথা, তাদের কাছ থেকে একদিনের জন্য দূরে থাকাও অশেষ কঠিন। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইসলামের প্রতি ও মহান আল্লাহর প্রতি ভালবাসার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন মার্কিন নও-মুসলিম মিসেস অ্যাসিলিমি।

শনিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১২

একমাত্র জান্নাতের পথ



                                                                                 হাফেজ মাও: আবু মাছরুর
হাদীস শরীফে এসেছে:  হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস বলেন: আল্লাহর রাসূল, স: বলেছেন। আমার উম্মতের এক এমন সময় আসবে যে, তারা পদে পদে বনী ইসরাইলীদের (ইহুদী,খৃষ্টান) অনুসরণ করবে, এমনকি তাদের কেউ যদি তার মায়ের সাথে যিনা করে তবে আমার উম্মতের মধ্যে তা অনুসৃত হবে। বনী ইসরাইলীরা ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছে আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে।  একদল ব্যতিত সকলেই জাহান্নামী ।  সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞাসা করলেন হে আল্লার রাসূল, সেই দলটা কোনটা? রাসূল স: বললেন আমি ও আমার সাহাবীরা যার (নীতি, বিশ্বাস,আদর্শের) উপর আছি।  হাদীসটি ইমাম তীরমিজি তার কিতাবে বর্ণনা করেছেন ।  কেউ কেউ এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যে, আজ আমি ও আমার সাহাবীরা যে অবস্থায় আছি সে অবস্থা অনুসরণকারী দল। হযরত ইবনে কাসীর এর ব্যক্ষায় বলেছেন যে, সেই দলটি হল যারা আল্লাহর কালাম ও রাসূলের জীবনাদর্শ দাত কামড়ে অনুসরন করে চলবে।  এবং প্রথম সাড়ির সাহাবায়ে কেরাম যেভাবে জীবন চালিয়েছেন।

রবিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১২

ভন্ড দেওয়ানবাগীর কুফরী মতবাদ

নাম ও পরিচয়ঃ তার নাম মাহবুবে খোদা। পিতা আব্দুর রশীদ সরকার। বি-বাড়ীয়ার আশুগঞ্জ থানার বাহাদুরপুর গ্রামে তার জন্ম।  প্রাথমিক স্কুল শিক্ষার পর তালশহর কারিমিয়া আলিয়া মাদ্রাসায় লেখা পড়া করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ¯^vaxbZvi পর সেনাবহিনীতে রিলিজিয়ার্স টিচার পদে চাকুরী করেন। ফরিদপুরস্থ চন্দ্রপাড়ার পীর মৃত আবুল ফযল সুলতান আহমদ তার পীর ও শ্বশুর।  প্রথমে তিনি ঢাকার অদূরে দেওয়ানবাগে ও পরে ঢাকার আরামবাগে একটি দরবার স্থাপন করেন। তার তত্ত্বাবধানে কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়। যেগুলোতে অনেক ইসলাম বিরোধী কথা বিদ্যমান। তন্মধ্যে নিম্নে কয়েকটি তুলে ধরা হল-

শনিবার, ১২ মে, ২০১২

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক লড়াই’ চালানোর সেনাবাহিনীর কোর্স বাতিল

বিবিসি
যুক্তরাষ্ট্রের এক সামরিক প্রশিক্ষণ কলেজে মুসলিমদের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক লড়াই’ চালানোর যে কোর্স পড়ানো হচ্ছিল, দেশটির সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আজ তার নিন্দা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্টিন ডেম্পসি বলেন, এ কোর্সটি খুবই আপত্তিকর এবং তা মার্কিন মূল্যবোধের পরিপন্থী।
ভার্জিনিয়ার জয়েন্ট ফোর্সেস স্টাফ কলেজে এই বিতর্কিত কোর্সটি পড়ানো হতো। এতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের পাশাপাশি ইসলামের পবিত্রতম নগরী মক্কার ওপর সম্ভাব্য পরমাণু বোমা হামলার কথাও ছিল। তবে এটি নিয়ে বিতর্কের পর তা বাতিল করা হয়েছে।

বুধবার, ২ মে, ২০১২

বিয়েতে ধর্ম ও সন্তানের ধর্মীয় পরিচয় বাদ দেয়া কোরআনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা

বিশেষ বিবাহ আইন প্রণয়ন করে আন্তঃধর্ম বিবাহের অনুমোদন করা এবং ছেলে না থাকলে কন্যাসন্তানকে পুরো সম্পদের মালিক করে মুসলিম পারিবারিক আইন সংশোধনের উদ্যোগে সরকারের সঙ্গে দেশের আলেমসমাজের বিরোধিতা প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে।

আইন দুটি পাসের ইঙ্গিত দেয়ার পর থেকে আলেমদের বিভিন্ন সংগঠন একে ইসলাম বিরোধী আখ্যায়িত করে বক্তৃতা-বিবৃতি ও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। অন্যদিকে, সরকার বলছে প্রস্তাবিত আইনে ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো কথা নেই।

আন্তঃধর্ম বিবাহ প্রসঙ্গ
জানা যায়, নিজ ধর্ম বিশ্বাস বাদ দিয়ে যেসব নারী-পুরুষ বিবাহ করতে আগ্রহী তাদের বিয়ের রেজিস্ট্রি করতে গত ১৮ এপ্রিল আইনমন্ত্রীর এপিএস (সহকারী একান্ত সচিব) আকছির এম চৌধুরীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এতদিন এই বিয়ে পড়ানোর একমাত্র স্থান হিসেবে নির্ধারিত ছিল পুরান ঢাকার পাটুয়াটুলী শরৎচন্দ্র ব্রাক্ষ্র প্রচারক নিবাস। এখানের প্রাণেশ সমাদ্দার ছিলেন সরকার নিযুক্ত একমাত্র রেজিস্ট্রার। এখন উভয়ে এই বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে পারবেন। এখানে সবাই স্বাধীনভাবে যেকোনো ধর্মের (হিন্দু-বৌদ্ধ, খ্রিস্টান-মুসলমান) নারী-পুরুষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবেন।

এই আইন অনুযায়ী একজন মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইহুদি কিংবা অন্য যেকোনো ধর্মের যে কেউ যে কাউকে বিয়ে করতে পারবে। এজন্য পাত্র-পাত্রী কাউকেই ধর্মান্তরিত হতে হবে না। ধর্ম পরিবর্তন ছাড়াই তারা দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করতে পারবে। ইচ্ছে করলে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে অথবা যেকোনো একজন নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস বাদ দিতে পারে। এ ধরনের বিয়ের মাধ্যমে জন্ম নেয়া সন্তানদের কোনো ধর্মীয় পরিচয় থাকবে না। বড় হয়ে (১৮ বছর) তারা যেকোনো ধর্ম বেছে নিতে পারবে অথবা ধর্ম বিশ্বাস ছাড়াই জীবন যাপন করতে পারবে।

রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১২

নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর চুল মোবারক

কাঁচেরমধ্য বাধান নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর চুল মোবারক,
সুবহানাল্লাহ !

অনুগ্রহ করে পোস্ট টি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন , ধন্যবাদ !

বাংলার মাটিতে আমাদের মহান মালিকের ‘আল্লাহ’ নামটি আবারো অপমানে জর্জরিত

বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা জিমজির ফ্লাইটে ‘ইনশাল্লাহ’ এবং ভ্রমণের দোয়া 'বিসমিল্লাহে মাজরেহা ওয়া মুরসাহা ইন্না রাব্বিলা গাফুরুর রাহিম’ পাঠ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, মুখে ‘ইনশাল্লাহ’ শব্দটি উচ্চারন করায় জিএমজি এয়ারলাইন্সের Air Hostess বা বিমানবালা সাবেরা ফেরদৌসীকে চাকরী বাচানোর স্বার্থে ভারতীয় নাগরিক এওয়ার্ড একলেসটন এর কাছে অপর্দস্ত হয়ে ক্ষমা চাইতে হল।

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

এবার বোরকা নিষিদ্ধ করলো মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট

এবার বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ। ২৪ মার্চ থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের স্কুল শাখার কোন ছাত্রী বোরকা বা অ্যাপ্রোন পরে ভিতরে ঢুকতে পারবে না বলে লিখিত নোটিশ দেয়া হয়েছে। বোরকা পরে ছাত্রীরা স্কুলে ঢোকার কারণে নানা সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মুশতারী আহমেদ জানিয়েছেন। এদিকে মুসলিম নারীদের জন্য ফরজ বিধান পর্দার মাধ্যম বোরকার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অভিভাবকরা।

রাজউক কলেজে ছাত্রীদের লম্বা বোরকা পরতে অধ্যক্ষের নিষেধাজ্ঞা

এবার বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম হোসেন সরকার। কলেজ ড্রেসকোড ভঙ্গ করে ছাত্রীদের লম্বা বোরকা পরতে নিষেধ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, লম্বা বোরকাকে ‘অড’ বা দৃষ্টিকটূ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন অধ্যক্ষ। মুসলমান নারীদের জন্য ফরজ বিধান পর্দার মাধ্যম বোরকার বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের এ অবস্থানের কারণে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ভুক্তভোগী অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে ওই অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করেছে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতারা। অন্যথায় সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তারা।
রাজউক কলেজে বোরকা পরে আসতে অধ্যক্ষ ছাত্রীদের মঙ্গলবার সকালেই ডেকে নিষেধ করেছিলেন। তাদের বলা হয়েছিল, বোরকা ছাড়াই রাজউকে ক্লাস করতে হবে। তা না হলে তাদের কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকতে না দেয়া হয়। সে জন্য কলেজ গার্ডদের ডেকে নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ।

শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১২

কানাডায় নাগরিকত্বের শপথ গ্রহণে নেকাব নিষিদ্ধ


নাগরিকত্বের শপথ নেয়ার সময় নেকাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কানাডার সরকার। কানাডার নাগরিকত্ব ও অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী জেসন কেনি সোমবার মন্ট্রিলে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।
কেনি বলেন , নেকাব পরা অবস্থায় ওই ব্যক্তি শপথ উচ্চারণ করছেন কিনা—তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ করেছেন আইন প্রণেতা ও অভিবাসনবিষয়ক বিচারকরা। তাই কেউ কানাডার নাগরিক হতে চাইলে তাকে চেহারা দেখাতে হবেই। কানাডায় আনুমানিক ৯ লাখ ৪০ হাজার মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের বাস—যা মোট জনসংখ্যার অন্তত ২ দশমিক ৮ শতাংশ। এরই মধ্যে দেশটির কুইবেক প্রদেশে সরকারি চাকরি করেন, এমন নারীদের জন্য নেকাব ও মুখ ঢাকা পড়ে যায়—এমন ধরনের বস্ত্র নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব সরকারি অফিস-আদালতে নেকাব নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। কেনি বলেন, এটা সব নাগরিকের সামনে নিজের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করার জায়গা। এ ধরনের গণপ্রতিশ্রুতিমূলক অনুষ্ঠানে নিজের চেহারা দেখাতে ইচ্ছুক থাকা উচিত। তবে এ কারণে শপথ গ্রহণকারীর ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হচ্ছে—এ ধারণা নাকচ করে দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১১

মাইকে আজান নিষিদ্ধ করতে ইসরাইলে আইন করার প্রস্তাব

 ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মসজিদে মাইকে আজান নিষিদ্ধ করতে চান। এজন্য তিনি একটি আইনের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘মুয়াজ্জিন ল’। তবে প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে তার নিজ দল লিকুদ পার্টির তিন মন্ত্রী। তারা এ উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছেন। সব উপাসনালয়ের জন্য এ আইনটি প্রযোজ্য হলেও এতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে মসজিদ। উগ্র জাতীয়তাবাদী দল ইসরাইল বিতেনু পার্টির এমপি আনাস্তাসিয়া মিশেলি এ আইনটি প্রস্তাব করেন। তিনি নেসেটেরও একজন সদস্য। তিনি বলেছেন, মুয়াজ্জিনের আজানের জন্য ইসরাইলের হাজার হাজার নাগরিক দুর্ভোগের শিকার হন। তাই এ আইনটি করা দরকার।

বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১১

এবার মসজিদ হিন্দুদের দিয়ে দেবার পায়তারা

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ‘রাসুল (সা.) হিন্দুদের পূজার জন্য মসজিদের অর্ধেক জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে’ মর্মে ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও ইমামদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই বক্তব্য নিয়ে তোপের মুখে পড়েন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি। গতকাল সকালে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ‘মানবসম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্তকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের দু’দিনব্যাপী বার্ষিক সভা ও কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। এতে ফাউন্ডেশনের সব জেলা কর্মকর্তা, প্রতি জেলা থেকে ২ জন করে মোট ১২৮ জন ইমাম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এদের মধ্যে ২০ জন নারী সদস্যও ছিলেন।

মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০১১

ইমাম মাহদীর হাতেই কি সমর্পিত হবে তালেবানের নেতৃত্ব?


                                                                হাফেজ মাও: আবু মাছরুর
বর্তমান ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি অঞ্চলের নাম হল খুরাসান। আর আমাদের রাসূল স এর হাদীস সমুহ থেকে পাওয়া যায় যে ইমাম মাহদী খুরাসান থেকে আত্বপ্রকাশ করবে।  

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১১

সংবিধান থেকে ধর্মের কালো ছায়াও একদিন মুছে ফেলব : সাজেদা

সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম মুছে ফেলা হবে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেন, সংবিধান থেকে ধর্মের কালো ছায়াও একদিন মুছে ফেলব। এটা আমাদের প্রতিজ্ঞা। 
আমার জানা নাই কেন এই বিষেদাগার। একজন মুসলমানকে কি ক্ষতি করলো ইসলাম। তবে কি সে অন্য ধর্মালম্বী? একজন দুর্গায় বিশ্বাসী আরেকজন ইসলামের নাম নিশানা মুছে ফেলতে চায়, তবে কি এই দেশ হিন্দুদেরই হয়ে গেল !!!!

মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর, ২০১১

কে বুঝাবে আর কে বুঝবে...... পর্ব -১ ও ২

পর্ব -১
আজকাল অনেকেই তাদের ছেলে মেয়েদের তেমন শাসন করতে দেখা যায় না। শাসন বলতে বেত্রাঘাত, চপোটাঘাত এই জাতীয় কিছু। মারধর আজ খুবই ঘৃনার চোখে দেখা হয়। শিশুদের মানসিক বিকাশ নাকি বাধাগ্রস্থ হয। যার ফলশ্রুতিতে ছেলে মেয়েরা বাবা মার মান্য করাতো দূরের কথা এমন সব অপকর্ম করে বসে যার জন্য মাথা ঠুকেও কোন লাভ হয় না।

বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১১

মহানবী (সা.) সম্পর্কে কটূক্তি : নড়াইলে স্কুলশিক্ষিকা নূপুর রায়ের বিরুদ্ধে মামলা

মহানবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কটূক্তিকারী স্কুল শিক্ষিকা নূপুর রায়ের বিরুদ্ধে নড়াইলে মামলা হয়েছে। নড়াইলের বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা উজির আহমেদ খান গতকাল বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহজাহান আলীর আদালতে মামলাটি করেন। আদালত নড়াইলের এনডিসিকে অভিযোগ তদন্ত করে আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১১

‘আল্লাহকেও একদিন বেঁধে আনবে মানুষ’

পাইকগাছার কপিলমুনি ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক অরুণকুমার সরকার প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ক্লাস নিতে গিয়ে বলেছেন, বিজ্ঞান ও অবাধ তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় মানুষ চাঁদে বসবাসের আয়োজন করছে। ঘুরছে গ্রহ থেকে গ্রহান-রে। তথ্যপ্রযুক্তির বদৌলতে গোটা পৃথিবী এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। প্রযুক্তির এ অভাবনীয় অগ্রগতিতে শিক্ষাব্যবস্থারও উন্নতি ঘটছে দিনে দিনে, যা এক সময় মানুষের কল্পনাতীত ছিল, আজ তা বাস্তব। এমন এক সময় আসবে যে দিন আল্লাহকে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে কপিলমুনি বাজারে নিয়ে এসে জিজ্ঞেস করবে- ‘তুই আমাদের অনেক জ্বালিয়েছিস, তোর কারণে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে, একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ক্ষতি পূরণের অর্থও আদায় করবে এই তথ্যপ্রযুক্তি।’

আরো দেখুন

Related Posts with Thumbnails