রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

কঠোর আইন বলবত্ : প্যারিসের রাস্তায় জুমার নামাজ আদায়ে বাধা

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের রাস্তায় জুমার নামাজ আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইন বলবত্ করেছে সে দেশের সরকার। এর ফলে শুক্রবার হাজার হাজার মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করতে পারেননি। মসজিদের ভেতরে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় বহু মানুষ রাস্তায় জুমার নামাজ আদায় করে থাকেন।
নতুন এ আইন কার্যকর করার পর ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, রাস্তায় নামাজ পড়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটা ফ্রান্সের ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী ব্যবস্থার ওপর সরাসরি আঘাত। সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গোতে ডি’ওর শহরের ইমাম মোহাম্মাদ সালাহ হামজা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, একটা নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি তৈরির জন্য সরকার এ উদ্যোগ নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজির নেতৃত্বাধীন উগ্র ডানপন্থী দল ক্ষমতায় আসার পর ফ্রান্সে জুমার নামাজ ও বোরকার মতো বিষয়কে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করা হয়েছে। চলতি বছরই ফরাসি সরকার সে দেশে মুখমণ্ডল ঢাকা বোরকা পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
উল্লেখ্য, ফ্রান্স হচ্ছে পশ্চিম ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। দেশটিতে মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০ ভাগ মুসলমান এবং এ সংখ্যা প্রায় ৬০ লাখ। - বিবিসি

ফ্রান্সে বোরকায় জরিমানা এবং ...

বোরকা বা নেকাব পরা মুসলমান নারীর অধিকার। ধর্মীয় দৃষ্টিতে এটি তাদের জন্য অবশ্য-পালনীয়ও বটে। কিন্তু ফ্রান্সসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশে বোরকা পরার বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে। আইন থাকলেও অন্য দেশগুলোতে এ আইনটি কার্যকর করা বা এর জন্য ধর-পাকড় করার কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। ব্যতিক্রম ফ্রান্স। সেখানে গত এপ্রিল মাসের ১১ তারিখ থেকে এ আইনটি জোরালোভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। ওই আইন অনুযায়ী বোরকা পরা কোনো মহিলা যদি তার মুখমন্ডল দেখাতে না চান, তবে পুলিশ তাকে সর্বোচ্চ ১৫০ ইউরো বা ২১৬ ডলার জরিমানা করতে পারে।

সা ম্প্র দা য়ি ক তা : ইসলাম বিরোধী সাম্প্রদায়িকতার চেনা-অচেনা মুখ

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র কয়েক বছর পর ইসলাম এবং নবীয়ে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওপর প্রথম প্রকাশ্য আক্রমণের ঘটনা ঘটে দাউদ হায়দার নামের এক কবির কবিতায়। এরপর আশির দশকে আরেকটি আক্রমণ হয় আলাউদ্দিন নামের এক হতভাগার মাধ্যমে। তারও পর দৃশ্যে আসে আহমদ শরীফ নামের এক পন্ডিত (?) এবং তসলিমা নসরীন নামের এক বিকৃত চরিত্রের লেখিকার নাম। এর সবকটি চরিত্রই ছিল নামধারী মুসলিম এবং মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া। এমনকি উচ্চ আদালতের বেঞ্চে বসে ফতোয়া ‘নিষিদ্ধ’ ঘোষণাকারী বিচারপতি দু’জনের জন্মও হয়েছে মুসলিম পরিবারে। এদের সবার বিরুদ্ধেই বিক্ষোভ হয়েছে। আন্দোলন হয়েছে। বিক্ষোভ ও জনরোষের মুখে এদের কেউ কেউ দেশ ছেড়ে পালিয়ে বাঁচতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু সেসব আন্দোলন ও বিক্ষোভের সময় ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের কেউ অন্য ধর্মের অনুসারী কারো নাম মুখে আনেননি। সবাই অনুভব করতেন যে, এরা হচ্ছে শরীয়তের দৃষ্টিতে মুসলিম পরিবারে জন্ম নিয়ে ধর্মত্যাগ করা মুরতাদ। এখানে অন্য ধর্মাবলম্বী কারো কোনো প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা নেই।

বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১১

টুপি খুলুন আদালতকে সম্মান করুন

রোজা রেখে ধর্মীয় টুপি পরে হাইকোর্টে গতকাল হাজিরা দিতে এসেছিলেন ল্যাবএইড হাসপাতালের চিকিত্সক ডা. মাজেদুল ইসলাম। শুনানির সময় বক্তব্য দিতে তিনি আদালতের সামনে দাঁড়ান। এ সময় তার মাথায় ধর্মীয় টুপি পরা ছিল। টুপি মাথায় দেখে হাইকোর্টের বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দীন চৌধুরী তাকে লক্ষ্য করে বলেন, এটা সর্বোচ্চ আদালত। টুপি খুলুন, কোর্টকে সম্মান করুন। আদালতের নির্দেশে ডা. মাজেদ টুপি খুলে তার বক্তব্য তুলে ধরেন। সুত্র : দৈনিক আমার দেশ, তারিখ: ২৬ অগাস্ট ২০১১।
এই সংবাদের পর বিশেষ করে আমার কিছুই বলার নেই। আওয়ামী লিগ সরকার এর আমলে আমরা এর থেকেও বেশি কিছু আশা করতে পারি । সুন্নতকে অবহেলা করলে, সুন্নতকে অপমান করে সুন্নতের উপর অন্য কিছুকে প্রাধান্য দিলে তার ঈমান থাকে কিনা তা পাঠক বিবেচনা করবেন। 

কতিপয় হুকুম এবং আমাদের অবহেলা

ইসলাম একটি পরিপূর্ন জীবন ব্যবস্থা। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এমন কোন শাখা যেখানে ইসলামের বিধান নেই। আর এই বিধান পরিপূর্ন ভাবে পালন করার নামই হচ্ছে ইসলাম। আর এটাই আল্লাহর হুকুম। এ প্রসংগে আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআন শরীফে বলেন, ”তোমরা পরিপূর্নভাবে ইসলামে প্রবেশ কর”। এ আয়াত দ্বারাই স্পষ্ট হয় যে আমাদেরকে পরিপূর্নভাবে ইসলামে প্রবেশ করতে হবে। এ ব্যাপারে কোন অবহেলার অবকাশ নেই। আর এই হুকুমের যে বিরোধীতা করবে সে পথভ্রষ্ট, যালেম। আলোচ্য এই নিবন্ধে ইসলামের কতিপয় হুকুম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যা সম্পর্কে আমাদের ব্যাপক অবহেলা রয়েছে।
প্রথমেই আলোচনা করা যাক পোষাক সম্পর্কে। ইসলামে আমাদের পোষাক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। আমি এ ব্যাপারে  বিস্তারিত যাবো না। এখানে শুধু কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১০

হালাল রুজির সন্ধানে

ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ফরজ ইবাদত হল হালাল রুজির সন্ধান করা। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলিয়াছেন,অন্যান্য ফরযের সঙ্গে হালাল কামাইয়ের ব্যবস্থা গ্রহনও একটি ফরয। (বায়হাকী) এ প্রসংগে আল্লাহতায়ালা রাসূলগণকে যেই আদেশ করিয়াছেন মুমিনগণকেও সেই আদেশ করিয়াছেন যথাঃ "হে রাসূলগন আপনারা পাক পবিত্র হালাল খাদ্য খাইবেন এবং নেক আমল করিতে থাকিবেন। মুমিনগনকেও লক্ষ্য করিয়াও তদ্রুপই বলিয়াছেনঃ "হে মুমিনগন! আমার দেয়া পাক পবিত্র হালাল রিযিক হইতে খাও। আর ইবাদতের পূর্ব শর্ত হল হালাল রুজি। হারাম দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে ইবাদত করলে সেই ইবাদত কবুল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

আরো দেখুন

Related Posts with Thumbnails