রবিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১২

নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর চুল মোবারক

কাঁচেরমধ্য বাধান নবী করিম হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর চুল মোবারক,
সুবহানাল্লাহ !

অনুগ্রহ করে পোস্ট টি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন , ধন্যবাদ !

বাংলার মাটিতে আমাদের মহান মালিকের ‘আল্লাহ’ নামটি আবারো অপমানে জর্জরিত

বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা জিমজির ফ্লাইটে ‘ইনশাল্লাহ’ এবং ভ্রমণের দোয়া 'বিসমিল্লাহে মাজরেহা ওয়া মুরসাহা ইন্না রাব্বিলা গাফুরুর রাহিম’ পাঠ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, মুখে ‘ইনশাল্লাহ’ শব্দটি উচ্চারন করায় জিএমজি এয়ারলাইন্সের Air Hostess বা বিমানবালা সাবেরা ফেরদৌসীকে চাকরী বাচানোর স্বার্থে ভারতীয় নাগরিক এওয়ার্ড একলেসটন এর কাছে অপর্দস্ত হয়ে ক্ষমা চাইতে হল।

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

এবার বোরকা নিষিদ্ধ করলো মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট

এবার বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ল্যাবরেটরি ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ ২৪ মার্চ থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের স্কুল শাখার কোন ছাত্রী বোরকা বা অ্যাপ্রোন পরে ভিতরে ঢুকতে পারবে না বলে লিখিত নোটিশ দেয়া হয়েছে বোরকা পরে ছাত্রীরা স্কুলে ঢোকার কারণে নানা সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মুশতারী আহমেদ জানিয়েছেন এদিকে মুসলিম নারীদের জন্য ফরজ বিধান পর্দার মাধ্যম বোরকার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অভিভাবকরা

রাজউক কলেজে ছাত্রীদের লম্বা বোরকা পরতে অধ্যক্ষের নিষেধাজ্ঞা

এবার বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম হোসেন সরকার কলেজ ড্রেসকোড ভঙ্গ করে ছাত্রীদের লম্বা বোরকা পরতে নিষেধ করেছেন তিনি শুধু তাই নয়, লম্বা বোরকাকে ‘অড’ বা দৃষ্টিকটূ হিসেবেও উল্লেখ করেছেন অধ্যক্ষ মুসলমান নারীদের জন্য ফরজ বিধান পর্দার মাধ্যম বোরকার বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের এ অবস্থানের কারণে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে ভুক্তভোগী অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে ওই অধ্যক্ষের অপসারণ দাবি করেছে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতারা অন্যথায় সরকারের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তারা
রাজউক কলেজে বোরকা পরে আসতে অধ্যক্ষ ছাত্রীদের মঙ্গলবার সকালেই ডেকে নিষেধ করেছিলেন তাদের বলা হয়েছিল, বোরকা ছাড়াই রাজউকে ক্লাস করতে হবে তা না হলে তাদের কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকতে না দেয়া হয় সে জন্য কলেজ গার্ডদের ডেকে নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ

শনিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১২

কানাডায় নাগরিকত্বের শপথ গ্রহণে নেকাব নিষিদ্ধ


নাগরিকত্বের শপথ নেয়ার সময় নেকাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কানাডার সরকারকানাডার নাগরিকত্ব ও অভিবাসন বিষয়ক মন্ত্রী জেসন কেনি সোমবার মন্ট্রিলে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছে বিবিসি
কেনি বলেন , নেকাব পরা অবস্থায় ওই ব্যক্তি শপথ উচ্চারণ করছেন কিনাতা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ করেছেন আইন প্রণেতা ও অভিবাসনবিষয়ক বিচারকরাতাই কেউ কানাডার নাগরিক হতে চাইলে তাকে চেহারা দেখাতে হবেইকানাডায় আনুমানিক ৯ লাখ ৪০ হাজার মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষের বাসযা মোট জনসংখ্যার অন্তত ২ দশমিক ৮ শতাংশএরই মধ্যে দেশটির কুইবেক প্রদেশে সরকারি চাকরি করেন, এমন নারীদের জন্য নেকাব ও মুখ ঢাকা পড়ে যায়এমন ধরনের বস্ত্র নিষিদ্ধ করা হয়েছেসব সরকারি অফিস-আদালতে নেকাব নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছে সরকারকেনি বলেন, এটা সব নাগরিকের সামনে নিজের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করার জায়গাএ ধরনের গণপ্রতিশ্রুতিমূলক অনুষ্ঠানে নিজের চেহারা দেখাতে ইচ্ছুক থাকা উচিততবে এ কারণে শপথ গ্রহণকারীর ধর্মীয় অধিকার খর্ব করা হচ্ছেএ ধারণা নাকচ করে দেন তিনি

বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১১

মাইকে আজান নিষিদ্ধ করতে ইসরাইলে আইন করার প্রস্তাব

 ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মসজিদে মাইকে আজান নিষিদ্ধ করতে চান। এজন্য তিনি একটি আইনের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘মুয়াজ্জিন ল’। তবে প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে তার নিজ দল লিকুদ পার্টির তিন মন্ত্রী। তারা এ উদ্যোগের কড়া সমালোচনা করেছেন। সব উপাসনালয়ের জন্য এ আইনটি প্রযোজ্য হলেও এতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে মসজিদ। উগ্র জাতীয়তাবাদী দল ইসরাইল বিতেনু পার্টির এমপি আনাস্তাসিয়া মিশেলি এ আইনটি প্রস্তাব করেন। তিনি নেসেটেরও একজন সদস্য। তিনি বলেছেন, মুয়াজ্জিনের আজানের জন্য ইসরাইলের হাজার হাজার নাগরিক দুর্ভোগের শিকার হন। তাই এ আইনটি করা দরকার।

বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১১

এবার মসজিদ হিন্দুদের দিয়ে দেবার পায়তারা

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রাসুল (সা.) হিন্দুদের পূজার জন্য মসজিদের অর্ধেক জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে মর্মে ধর্মপ্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও ইমামদের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এই বক্তব্য নিয়ে তোপের মুখে পড়েন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজি। গতকাল সকালে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মানবসম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্তকরণ শীর্ষক প্রকল্পের দুদিনব্যাপী বার্ষিক সভা ও কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। এতে ফাউন্ডেশনের সব জেলা কর্মকর্তা, প্রতি জেলা থেকে ২ জন করে মোট ১২৮ জন ইমাম, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এদের মধ্যে ২০ জন নারী সদস্যও ছিলেন।

আরো দেখুন

Related Posts with Thumbnails